নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ এবং প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের নতুন সরকারের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে এ প্রশ্নে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা জোরালো হয়েছে। বর্তমানে বঙ্গভবনে দায়িত্ব পালন করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।
সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর এবং মোঃ সাহাবুদ্দিনের বর্তমান মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বহাল রয়েছে। ফলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ সীমিত। তবে পদত্যাগ, মৃত্যু, অভিশংসন অথবা শারীরিক ও মানসিক অক্ষমতার মতো নির্দিষ্ট কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নির্বাচন আয়োজনের বিধান রয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন আয়োজন করে থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে তফসিল ঘোষণা করা হয়। সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন নির্বাচনের পর দায়িত্ব ছাড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেন, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করা উচিত বলে মনে করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সংসদ গঠনের পর যদি রাষ্ট্রপতি স্পিকারের নিকট পদত্যাগপত্র দাখিল করেন, তবে অভিশংসনের প্রয়োজন হবে না এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হতে পারে। তবে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত এখনো গৃহীত হয়নি।

