রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, হত্যার মূল অভিযুক্ত মো. জাকির হোসেনকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন তার স্ত্রী স্বপ্না। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানান, রামিসার মা ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির স্যান্ডেল দেখতে পেয়ে দরজায় নক করতে থাকেন। তবে সেই সময় ঘাতক জাকিরকে পালানোর সুযোগ করে দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে দেরিতে দরজা খোলেন স্ত্রী স্বপ্না। এ সময় জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় জাকির।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত জাকির একজন রিকশা মেকানিক এবং তার বিরুদ্ধে পূর্বেও একটি মামলা রয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, বিকৃত যৌন লালসার শিকার হয়েছিল শিশু রামিসা। ঘটনার আলামত গোপন করতেই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং পরে মরদেহ খণ্ডিত করার চেষ্টা করা হয়।
ঘটনার পর স্বপ্নাকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ থেকে মূল অভিযুক্ত জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নিহত রামিসার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত ও কেমিক্যাল রিপোর্টের পর ঘটনার আরও বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যাবে।

