মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারলাইন্স ফ্লাইট বাতিল, স্থগিত এবং রুট পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে বিশেষ করে ইরাক ও আশপাশের আকাশপথে ফ্লাইট পরিচালনায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে সংস্থাগুলো।
জার্মানির লুফথানসা অক্টোবর পর্যন্ত ইরাকের এরবিলে ফ্লাইট স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউরোউইংসও জুনের শেষ ভাগ পর্যন্ত এরবিলগামী ফ্লাইট বন্ধ রাখবে। গ্রিসের এইজিয়ান এয়ারলাইন্স বাগদাদ ও এরবিল রুটে ফ্লাইট বাতিল করেছে, আর তুরস্কের পেগাসাস এয়ারলাইন্স সাময়িকভাবে ইরাকগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে।
এদিকে ইউরোপ ও এশিয়ার আরও বেশ কয়েকটি বড় এয়ারলাইন্স মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট সীমিত করেছে। এয়ার ফ্রান্স, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স, ক্যাথে প্যাসিফিক ও জাপান এয়ারলাইন্স নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দোহা, দুবাই, রিয়াদ ও তেলআবিবসহ একাধিক রুটে পরিবর্তন এনেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে আরও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এতে যাত্রী ভোগান্তির পাশাপাশি বৈশ্বিক ভ্রমণ ও বাণিজ্য খাতেও নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

