ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলা করেছেন ঢাকা-১৩ আসনের খেলাফত মজলিস প্রার্থী মামুনুল হকসহ বিএনপি সমর্থিত চার প্রার্থী। বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই মামলা দায়ের করা হয়। বিএনপি প্রার্থীরা গাইবান্ধা-৫, ঢাকা-৫, পাবনা-৩ ও কুষ্টিয়া-৪ আসনে নির্বাচন করেছিলেন। নির্বাচনের ফল বাতিল ও পুনর্নির্বাচনের দাবিতে আইনি এই পদক্ষেপ নিলেন তারা।
ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি।
গাইবান্ধা-৫ আসনে বাংলাদেশ বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল ওয়ারেছ। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট।
ঢাকা-৫ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট।
কুষ্টিয়া-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আফজাল হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ২০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬০৩ ভোট।
অভিযোগকারীদের দাবি, অনেক কেন্দ্রে ভোটের হিসেবে গড়মিল ছিল এবং সুনির্দিষ্ট অনিয়মের তথ্য তাদের হাতে রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে ৩০টি আসনে কারচুপির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছিল।

