ইউরোপের মাটিতে সান মারিনোর বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ থমাস ডুলি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি দলের কৌশলগত সাফল্য, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন।
ডুলি জানান, সান মারিনোকে কোনোভাবেই দুর্বল প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা হয়নি। ম্যাচের আগে তাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করা হয়েছে এবং প্রতিপক্ষের শারীরিক সক্ষমতা ও আকাশপথের খেলাকে মোকাবিলা করতে বাংলাদেশ গতি ও পাসিংনির্ভর ফুটবল কৌশল গ্রহণ করে। দীর্ঘ ভ্রমণ ও স্বল্প প্রস্তুতির কারণে শুরুতে কিছুটা জড়তা থাকলেও দল পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সফল হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নতুন কোচের অধীনে মাত্র ১০ দিনের প্রস্তুতি এবং শেষ মুহূর্তে কয়েকজন নতুন খেলোয়াড় দলে যোগ দেওয়ার পরও মাঠে ইতিবাচক পারফরম্যান্স দেখানোয় খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন ডুলি। তবে গোল করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুযোগের প্রয়োজন হওয়া, ফার্স্ট টাচ ও পাসিংয়ের মতো মৌলিক বিষয়ে আরও উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মধ্যমাঠে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য হামজা চৌধুরীর ভূয়সী প্রশংসা করেন বাংলাদেশ কোচ। তিনি বলেন, ইংল্যান্ডের ফুটবলে খেলার অভিজ্ঞতা হামজাকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে। বল নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পজিশনিং এবং নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে তিনি পুরো দলকে অনুপ্রাণিত করছেন। ডুলির ভাষ্য, হামজার উপস্থিতি দলের সামগ্রিক কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে।
ইউরোপের মাটিতে এই জয়কে বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য নতুন দিগন্ত হিসেবে দেখছেন থমাস ডুলি। তার বিশ্বাস, ধারাবাহিক অনুশীলন ও ভুলত্রুটি সংশোধনের মাধ্যমে জাতীয় দল ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জনে সক্ষম হবে।

