যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সামরিক সম্পদ পুনর্বিন্যাসের কার্যক্রম শুরু করেছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনার ভিত্তিতে কিছু সেনা ও সামরিক সরঞ্জামের অবস্থান পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়ার আওতায় ইরাককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তাদের মতে, বর্তমান পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো প্রেসিডেন্টের জন্য কৌশলগত বিকল্প উন্মুক্ত রাখা এবং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা বজায় রাখা।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটি ও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনা মোতায়েন রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই এই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি বজায় আছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক ভারসাম্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনাই এই পুনর্বিন্যাসের প্রধান কারণ। ইরানে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ, অর্থনৈতিক সংকট এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ইরান সরকার এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে এগুলোকে বিদেশি ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে।

