এদিকে নেপাল ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশটির সরকার ও ফিফার মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে ফেডারেশনের কার্যক্রম স্থগিত করেছে, আর ফিফা সতর্কতা দিয়েছে—পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে নেপালকে নিষিদ্ধও করা হতে পারে। তবে সাফের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত নেপালকে নিয়েই ড্রয়ের পরিকল্পনা চলছে এবং তাদের রেফারিরাও ম্যাচ পরিচালনা করবে।
টুর্নামেন্টের কাঠামো
- ৬ দল দুই গ্রুপে ভাগ হবে
- প্রতিটি গ্রুপে ৩ দল
- প্রত্যেক দল খেলবে ২টি করে ম্যাচ
- দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ যাবে সেমিফাইনালে
তবে ড্রয়ের আগে নেপাল বহিষ্কৃত হলে লটারির ড্র না করে রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে টুর্নামেন্ট আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি ড্রয়ের পর নিষিদ্ধ হলেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হতে পারে।
টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বাংলাদেশ এবারও হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামবে। ২৫ মে শুরু হয়ে ৭ জুন শেষ হবে টুর্নামেন্ট। ঋতুপর্ণারা ট্রফি নিয়েই দেশে ফিরতে চায়।
তবে ভেন্যু ভারত হওয়ায় পাকিস্তান অংশ নিচ্ছে না—যা দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য কিছুটা বদলে দিয়েছে।

