দীর্ঘ ৫৩ বছর পর আবারও চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠাতে যাচ্ছে নাসা। অ্যাপোলো-১৭ অভিযান-এর পর এই প্রথম মানববাহী চন্দ্রাভিযানের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আর্টেমিস-২ মিশন-এর মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণায় নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে এই মিশনের উৎক্ষেপণ নির্ধারিত হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সবকিছু ঠিক থাকলে বাংলাদেশ সময় ২ এপ্রিল ভোরে মহাকাশযানটি যাত্রা শুরু করবে। এ ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে নাসার অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে।
এই মিশনে অংশ নিচ্ছেন চার মহাকাশচারী রেইড ওয়াসম্যান (কমান্ডার), ভিক্টর গ্লোভার (পাইলট), ক্রিস্টিনা কোচ (মিশন বিশেষজ্ঞ) এবং জেরেমি হ্যানসেন। তারা ওরিয়ন স্পেসক্রাফ্ট-এ করে চাঁদের কাছাকাছি গিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।
নাসার আর্টেমিস কর্মসূচি তিন ধাপে পরিচালিত হচ্ছে। এর দ্বিতীয় ধাপ হিসেবে এই মিশনে মহাকাশচারীরা চাঁদের কক্ষপথে উচ্চগতির ভ্রমণ সম্পন্ন করবেন। পরবর্তী ধাপ আর্টেমিস-৩-এ মানুষের চাঁদের মাটিতে পুনরায় অবতরণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মিশন সফল হলে ভবিষ্যতে চাঁদে স্থায়ী মানব উপস্থিতি গড়ে তোলা এবং মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক মহাকাশ প্রতিযোগিতায় নতুন গতি সঞ্চার করবে এই উদ্যোগ।

