ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি জাহাজ লক্ষ্য করে তারা মিসাইল বা ড্রোন ছুড়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের বক্তব্য, ইরান কোনো ধরনের হামলা চালায়নি; যদি এমনটি ঘটত, তা যুদ্ধবিরতির চরম লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতো।
টানা ৪০ দিনের যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। কিন্তু এক সপ্তাহ না যেতেই মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন বন্দরে নৌ-অবরোধ আরোপ করে। এর ফলে ইরানি বন্দরে জাহাজের প্রবেশ ও প্রস্থান কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রেখেছে, যদিও নির্দিষ্ট কিছু জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও গত সোমবার ইরানের চারটি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে, যা নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও নৌ-অবরোধ, প্রণালি নিয়ন্ত্রণ এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পরিস্থিতিকে আবারও অস্থিতিশীল করে তুলছে। আন্তর্জাতিক মহল এই উত্তেজনা দ্রুত কমানোর আহ্বান জানাচ্ছে।

