আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল স্মরণীয় ফারাক্কা লংমার্চ। দেশের নদী ও পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের ইতিহাসে দিনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় কৃষি, পরিবেশ ও নৌপথে বিরূপ প্রভাব পড়ে। এর প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজারো মানুষ রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দানে সমবেত হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট পর্যন্ত লংমার্চে অংশ নেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ফারাক্কা ইস্যু এখনও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি জাতীয় প্রশ্ন। ১৯৯৬ সালে পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে অসন্তোষ পুরোপুরি দূর হয়নি। ফলে সীমান্তবর্তী নদীগুলোর নাব্যতা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি এখনও আলোচনায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, ভারতের মনোহরপুর এলাকায় নির্মিত ফারাক্কা বাঁধের কারণে পদ্মা নদীতে পানির প্রবাহ কমে যায়। এর ফলে বছরের দীর্ঘ সময়জুড়ে নদীটি নাব্য সংকট ও ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকে।

