চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী শুক্র বা শনিবার দেশে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ মানুষ ইতোমধ্যেই ঢাকা ছেড়ে নিজ গন্তব্যে পাড়ি জমিয়েছেন। ফলে চিরচেনা ব্যস্ততা, হর্নের শব্দ আর যানজটের চাপ কমে রাজধানী এখন অনেকটাই ফাঁকা ও স্বস্তিদায়ক।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্যামলী, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কাওরানবাজার, শাহবাগ, জাতীয় প্রেস ক্লাব, পল্টন ও মতিঝিল এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ দিনের তুলনায় যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কম। অভ্যন্তরীণ গণপরিবহন সীমিত হারে চলাচল করছে, ব্যক্তিগত গাড়ি ও সিএনজির সংখ্যাও কমে গেছে। তবে অটোরিকশার উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে। সড়কে নেই দীর্ঘ যানবাহনের সারি, নেই বিরক্তিকর হর্ন যা নগরবাসীর জন্য বিরল স্বস্তি।
মানুষের উপস্থিতিও ছিল কম। তবে ঢাকা ছাড়ার রুটগুলোতে গণপরিবহনের সংখ্যা কম থাকলেও যাত্রীদের চাপ ছিল বেশি। কোথাও যাত্রীর অপেক্ষায় বাস দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে, আবার কোথাও যাত্রীরা দীর্ঘক্ষণ ধরে গাড়ির অপেক্ষায় ছিলেন।
মগবাজার ওয়ারলেসে গণপরিবহনের অপেক্ষায় থাকা আক্তার হোসেন বলেন, “বাড়ি যাওয়ার জন্য বের হয়েছি। যাত্রাবাড়ীতে গিয়ে গাড়িতে উঠবো। প্রায় ১০–১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে আছি, কোনো গাড়ি পাইনি।” তার মতো আরও অনেকেই সীমিত পরিবহনের কারণে অপেক্ষায় সময় কাটাচ্ছিলেন।
ঈদের ছুটিতে রাজধানীর এই ফাঁকা চিত্র নগরবাসীর জন্য স্বস্তি বয়ে আনলেও, যাত্রাপথে থাকা মানুষের জন্য পরিবহন সংকট ও অপেক্ষার চাপ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে।

