আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে আবারও বড় ধরনের উত্থান দেখা গেছে। গত বুধবার ব্যারেলপ্রতি প্রায় ২ ডলার বেড়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক উত্তেজনা ও বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের নতুন মাত্রা এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ।
বাজারের সর্বশেষ হিসাব বলছে, আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৬৫ ডলার বা ১.৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি ব্যারেল ৯৩.১০ ডলারে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১.৮৩ ডলার বা ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯০.০৩ ডলারে স্থিত হয়েছে।
গত এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধরনের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এর পরপরই ট্রাম্পের নতুন হামলার হুঁশিয়ারিতে দুপুরের দিকে তেলের দাম এক লাফে প্রায় ৩ ডলার পর্যন্ত বেড়ে যায়। তবে পরে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের দেওয়া ট্রাম্পের এক বক্তব্যের পর দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।
ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী অত্যন্ত গোপনে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ১০ কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেলবাহী জাহাজকে নিরাপদে বের করে এনেছে। বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেলের চাহিদা থাকায় এই অভিযানের কারণে বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা লাগেনি বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, এই পদক্ষেপ না নিলে তেলের দাম এখন ৮৫-৯০ ডলারের বদলে ২৫০ ডলারে পৌঁছে যেত।
এর আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা দীর্ঘায়িত করার জন্য তেহরানকে “চরম মূল্য দিতে হবে”।

