যুদ্ধরত দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে এগিয়ে এসেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, রোববার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এই ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে—পাকিস্তানের কয়েকজন কর্মকর্তা গোপন চ্যানেলের মাধ্যমে তেহরান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের দাবি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানে হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করেছেন—এটি পাকিস্তানের মধ্যস্থতা বা কূটনৈতিক প্রচেষ্টারই ফল। রোববার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে জানান, সামনে হামলার মাত্রা আরও বাড়বে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর সোমবার সকালে নতুন বার্তায় তিনি ইরানের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা ৫ দিন স্থগিতের ঘোষণা দেন।

