পেশোয়ার জালমির আগের ম্যাচে পিএসএলে অভিষেক হয়েছিল নাহিদ রানার। সেই ম্যাচে ৩ ওভারে ৩০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন বাংলাদেশের এই তরুণ পেসার। তবে গতকাল করাচি কিংসের বিপক্ষে তিনি যেন নতুন রূপে হাজির হলেন। দুর্দান্ত গতির বোলিংয়ে মাত্র ৭ রান খরচায় ৩ উইকেট তুলে নিয়ে পেশোয়ারের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
এর আগে কুশল মেন্ডিসের সেঞ্চুরি ও বাবর আজমের ফিফটিতে পেশোয়ার তোলে রেকর্ড ২৪৬ রান। করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে নেমে উভয় দলই রেকর্ডের সাক্ষী হয়। এই ভেন্যুতে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ (২৪৬) এবং সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় (১৫৯ রান) দুটি রেকর্ডই গড়ে বাবর আজমের দল। পিএসএলে যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডও গড়ে ফেলেন বাবর–মেন্ডিস জুটি, তাদের ১৯১ রানের পার্টনারশিপে।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে করাচির শুরুটাই হয় দুঃস্বপ্নের মতো। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন মোহাম্মদ হারিস। এরপর বাবর ও মেন্ডিস মিলে গড়ে তোলেন ম্যারাথন জুটি, যা ম্যাচের গতিপথই বদলে দেয়। এর আগে পিএসএলে সর্বোচ্চ ১৭৬ রানের জুটির রেকর্ডও ছিল বাবরের দখলে, ২০২১ সালে শারজিল খানের সঙ্গে করাচি কিংসের হয়ে তিনি সেই কীর্তি গড়েছিলেন।
বল হাতে নাহিদ রানা ছিলেন ম্যাচের সেরা বোলারদের একজন। ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। শরিফুল ইসলামও ভালো বোলিং করেন, ৩ ওভারে ২৩ রানে নেন ১ উইকেট। তাদের আগুনে বোলিংয়ে করাচি কিংস মাত্র ৮৭ রানে গুটিয়ে যায়, যা পেশোয়ারের রেকর্ড জয়ের পথ আরও সহজ করে দেয়।
ডেভিড ওয়ার্নারের নেতৃত্বাধীন করাচি এর আগে নিজেদের তিন ম্যাচেই জিতেছিল। কিন্তু পেশোয়ারের রেকর্ডবৃষ্টির দিনে তারা পরিণত হয় অসহায় প্রতিপক্ষ।

