প্রধান খবর

নারায়ণগঞ্জে ৩৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে অংশ নেওয়া ৩৭ জন প্রার্থীর নির্বাচনী জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বাজেয়াপ্তদের তালিকায় চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক রেজাউল করিম এবং তিনবারের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনও রয়েছেন। গিয়াসউদ্দিন দুই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উভয় আসনেই নির্ধারিত ভোটের সীমা অর্জন করতে পারেননি।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৪১(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় জানিয়েছে, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রতিটি প্রার্থীকে সরকারি কোষাগারে ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হয়; নির্ধারিত ভোট না পেলে তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে সাত প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। কেবল বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু ও তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সীমা অতিক্রম করতে সক্ষম হন।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসনেও বিজয়ী বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ ও জামায়াতের প্রার্থী ছাড়া বাকি পাঁচজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে নয় প্রার্থী নির্ধারিত ভোটের সীমা অর্জন করতে পারেননি। এ আসনে বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে; এখানে জাতীয় নাগরিক পার্টির আব্দুল্লাহ আল আমীন বিজয়ী হন।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আট প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান; এ আসনে বিএনপি প্রার্থী আবুল কালাম জয়লাভ করেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, আইনি বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত ভোটের সীমা অর্জনে ব্যর্থ প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *