ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথম কার্যদিবসে বড় উত্থানের পর সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখালে বাজারে বিক্রির চাপ বৃদ্ধি পায়, যার প্রভাব পড়ে প্রধান সূচকে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের আগে দুই কার্যদিবস এবং ভোট-পরবর্তী প্রথম দিন মিলিয়ে টানা তিন দিন সূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এতে বহু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই একাংশ বিনিয়োগকারী লাভ সংরক্ষণের লক্ষ্যে শেয়ার বিক্রি করেন, যা মূল্য সংশোধনের দিকে নিয়ে যায়।
দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১১৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৩৬ পয়েন্টে নেমে আসে। তবে সূচক কমলেও লেনদেনের পরিমাণ ছিল হাজার কোটি টাকার ওপরে। দিন শেষে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২৫৭ কোটি টাকার বেশি, যা টানা দ্বিতীয় কার্যদিবসে হাজার কোটি টাকার লেনদেনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
লেনদেনের শীর্ষে ছিল স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, যার শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ৬৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকার। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ঢাকা ব্যাংক, যার লেনদেন ৪১ কোটি টাকার বেশি। তৃতীয় স্থানে থাকা সিটি ব্যাংক এর শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩৮ কোটি টাকারও বেশি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এর সার্বিক মূল্যসূচক সামান্য বৃদ্ধি পেলেও লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, টানা উত্থানের পর এ ধরনের সাময়িক পতন স্বাভাবিক মূল্য সংশোধনের অংশ এবং এটি বাজারের সুস্থ গতিপ্রকৃতির ইঙ্গিত বহন করে।

