প্রধান খবর

উপসাগরীয় অঞ্চল সফরে ইরান-সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন জার্মান চ্যান্সেলর

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্ৎস জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চল সফরের সময় তাঁর সব আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উঠে এসেছে ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য সংঘাত বৃদ্ধির আশঙ্কা। দোহায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত দুই দিনে যাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, সবাই ইরান-সংকট আরও জটিল হতে পারে এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইরানকে ‘আগ্রাসন’ বন্ধ করে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানান এবং বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য জার্মানি সর্বোচ্চ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাবে।

উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোর আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তাহলে তেহরান তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। অন্যদিকে চীন জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইরানের বৈধ অধিকারকে তারা সমর্থন করে এবং বলপ্রয়োগ বা নিষেধাজ্ঞার চাপের বিরোধিতা করে। বেইজিংয়ে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে চীনের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিউ বিন বলেন, ইরানের পারমাণবিক ইস্যুর যথাযথ সমাধানে চীন কাজ চালিয়ে যাবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোয় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মিসর সফর শেষে দেশে ফেরার পথে বিমানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেন, ওমানে অনুষ্ঠিতব্য নিচু স্তরের পারমাণবিক আলোচনার পর যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হয়, তা পরিস্থিতি শান্ত করতে সহায়ক হবে। তিনি জানান, উত্তেজনা বাড়তে না দেওয়ার জন্য তুরস্ক সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন সংঘাতে ঠেলে দেওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয় সেজন্য আঙ্কারা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *