দীর্ঘ বিরতির পর স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা। প্রায় দুই দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো স্থানীয় নির্বাচনে গাজার অন্তর্ভুক্তি বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেইর আল-বালাহ শহরকে প্রতীকীভাবে নির্বাচনের আওতায় আনা হয়েছে। পশ্চিম তীরে অবস্থিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের দাবি, এর মাধ্যমে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ওপর তাদের প্রশাসনিক কর্তৃত্বের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ভোটাধিকার প্রয়োগকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। এক ভোটার জানান, বহু বছর ধরে নির্বাচনের কথা শুনে এলেও এবার প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, যা বাস্তবতা পরিবর্তনের একটি সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
পশ্চিমা কূটনীতিকদের মতে, এই স্থানীয় নির্বাচন ভবিষ্যতে জাতীয় নির্বাচনের পথ সুগম করতে পারে এবং রাজনৈতিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে সহায়ক হবে। তবে কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।
ফিলিস্তিনি কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গাজায় প্রায় ৭০ হাজারসহ মোট ১০ লাখের বেশি ভোটার ভোট দেওয়ার যোগ্য। ফলাফল শনিবার রাত অথবা রবিবারের মধ্যে ঘোষণা করা হতে পারে।

